চট্রগ্রামের আনোয়ারায় জমি জবরদখল ও মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানির প্রতিবাদে ও প্রশাসনের হস্তক্ষেপের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন ও প্রতিবাদ সভা করেছে ভুক্তভোগী পরিবার। (২৪ সেপ্টেম্বর) বুধবার বিকেলে নগরীর জামাল খান এলাকার একটি অভিজাত রেষ্টুরেন্টে এই প্রতিবাদ সভা ও সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
ভুক্তভোগী অভিযোগ করে বলেন, তাদের একই গ্রামের এবং পার্শ্ববর্তী মৃত নজির আহম্মদের ছেলে জাল জালিয়াতির মাধ্যমে জমি জবরদখল এর প্রতিবাদ করায় ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যদের মিথ্যা চাঁদাবাজি মামলা সহ বিভিন্ন ভাবে হয়রানী করতেছে। ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ঐ পরিবারের সদস্য শেলি আকতার।
এ সময় তিনি বলেন, আমি শেলী আকতার (৩৭), স্বামী: মোহাম্মদ আলী খান, পিতাঃ নুরুল আলম, মাতা: রেজিয়া বেগম, সাং: গুজরা (আলী হোসেন মাতব্বর এর বাড়ী), ০২ নং ওয়ার্ড, ১০ নং হাইলধর ইউনিয়ন, থানা: আনোয়ারা, জেলা: চট্টগ্রাম। বিবাদী আবদুল খালেক, পিতা: মরহুম নজির আহাম্মদ, মাতাঃ সোহাগ খাতুন, গ্রাম: গুজরা, থানা:আনোয়ারা, জেলা: চট্টগ্রাম।
এই মর্মে সংবাদ সম্মেলন করছি যে, আমাদের মৌরশী সম্পত্তি ৫০৫৭ নং কবলা ১০/১২/১৯৬৯ ইং ও বি.এস ১৭৪ নং খতিয়ান, দাগ নং: ২৪৭৯, আর.এস ২২০ নং খতিয়ান, দাগ নং- ১৮৮০ মূলে আমার দাদা আলী হোসেন ও নজির আহম্মদ খরিদ করিয়া উভয়ে ৭ গন্ডা করে মোট ১৪ গন্ডা ভোগ দখলে স্থিতবান থাকাবস্থায় আলী হোসেন পরলোক গমন করেন। তৎমতে আলী হোসেন এর মৃত্যুর পর থেকে নজির আহম্মদ এর ওয়ারিশগণ সম্প্রতি প্রতারক চক্র ভুয়া কাগজপত্র, জাল দলিল, মিথ্যা সাক্ষ্য ইত্যাদি ব্যবহার করে আমার সম্পত্তি অন্যায়ভাবে জবরদখল করে আবদুল খালেক দোকান নির্মাণ করেছে। উক্ত জাল দলিল নং ৩৮৭৫, তারিখ: ২৩/১০/১৯৭৮ ইং। যা উক্ত আবদুল খালেক এর জন্মের ৩ বছর পূর্বের দলিল। ৩০/০৬/১৯৭৬ ইং তারিখে ২৮৮৯ নং কবলামূলে ভান্ডা জায়গা উল্লেখ করে আরো একটি জাল দলিল তৈরী করে ১৮/১২/২০১৭ সালে। উক্ত দলিলে জায়গা রয়েছে ৩ গন্ডা কিন্তু উক্ত দলিল বিচরণ করার পর দেখা যায় সাড়ে ৫ গন্ডা বা ১১ শতক। নজির আহম্মদ এর ওয়ারিশগণ আরো বিভিন্ন জাল দলিল তৈরী করে বিভ্রান্তিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করে, তারা আমার নামে চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন মিথ্যা মামলা দায়ের করেন এবং প্রতিনিয়ত আমাকে মেরে ফেলার হুমকী প্রদর্শন করতে থাকে।
অতএব, এই সমস্ত হয়রানীমূলক জাল জালিয়াতি থেকে পরিত্রানের জন্য উক্ত সংবাদ সম্মেলন এর মাধ্যমে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং দুদক এর হস্তক্ষেপ কামনা করেন তিনি।