1. adm_dee7858097@chattogramsangbad.net : adm_dee7858097 :
  2. admin@chattogramsangbad.net : chattomsangba :
  3. editor@chattogramsangbad.net : editor :
  4. admin@facfltd.com : facfltd :
September 29, 2026, 10:53 pm

আলোহা কোচিং এর সিকিউরিটি ইসলাম যৌন হয়রানির মামলায় গ্রেফতার

এম.হান্নান রহিম তালুকদার
  • আপডেট সময় : Wednesday, August 12, 2026
  • 81 বার পড়েছে

নগরীর চকবাজার থানাধীন মেহেদীবাগস্থ আলোহা কোচিং সেন্টারে এক নারীকে দীর্ঘদিন যাবত যৌন হয়রানি করে আসছেন ঐ কোচিং সেন্টারের সিকিউরিটি গার্ড মোঃ ইসলাম। এই বিষয়ে উক্ত কোচিং সেন্টারের পরিচালককে অভিযোগ করার পরে ও কোন ধরনের ব্যবস্থা না নেওয়ায় চকবাজার থানায় মামলা রুজু করে ভুক্তভোগী নারী। নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে ২০০০ এর ১০ ধারায় রুজুকৃত ০৭/০৮/২০২৬ ইং তারিখের চকবাজার থানার মামলা নাম্বার ২। উক্ত এজাহারে ভুক্তভোগী নারী এজাহারে উল্লেখ করেন তিনি গত ১১/৬/২০২৬ইং তারিখে আয়া হিসেবে মেহেদী বাগের আলোহা কোচিং সেন্টারে যোগদান করেন। বিবাদী ইসলাম (৫০) পিতা মৃত মোঃ সোলায়মান, মাতা মৃত কায়মুন নেসা সাং- ওয়্যার্লেস কলোনি সেগুনবাগিচা ১নং লাইন ৬৩/বি রেলওয়ে কোয়ার্টার থানা খুলশী জেলা চট্টগ্রাম আলোহা কোচিং সেন্টারের সিকিউরিটি গার্ড হিসেবে কর্মরত আছেন। উক্ত কোচিং সেন্টারে যোগদানের কিছু দিন পর থেকে উক্ত আসামি ইসলাম কারণে, অকারণে ভুক্তভোগীর সাথে কথা বলতে চাইত এবং তার কাছাকাছি আসার চেষ্টা করতো।

ঘটনার ধারাবাহিকতায় ০৬/০৮/২০২৬ইং তারিখ বেলা অনুমানিক ১১ঘটিকার সময় বিবাদী ইসলাম অফিসের স্টাফদের জন্য নাস্তা নিয়ে অফিসের কিচেন রুমে প্রবেশ করেন। পরবর্তীতে ভুক্তভোগী অফিসের স্টাফদের নাস্তা পরিবেশন করার পর পুনরায় কিচেন রুমে আসলে বিবাদী তার নাস্তা খাওয়া শেষ করে কিচেন রুমে প্রবেশ করে ভুক্তভোগী কিছু বুঝে ওঠার আগেই তার যৌন কামনা চরিতার্থ করার করার জন্য তাকে জড়িয়ে ধরে এবং তার বিভিন্ন স্থানে হাত দিয়ে যৌন উত্তেজনা বাড়াতে চেষ্টা করে। বিষয়টি লজ্জার হওয়ায় ভুক্তভোগী অফিসের কাউকে কিছু না বলে বাসায় চলে যায়। পরবর্তীতে উক্ত ঘটনার বিষয়টি ভুক্তভোগী তার স্বামীকে অবহিত করে ঘটনার বিষয়ে তার মা-বাবাসহ নিকটতম আত্মিয়- স্বজনদের সাথে আলাপ আলোচনা করে থানায় এসে এজাহার দায়ের করেন।

এজাহার দায়েরের পর ওসি দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ প্রদান করলে মোবাইল পুলিশ মেহেদীবাগ এলাকার আলোহা কোচিং সেন্টার থেকে ইসলামকে আটক করে কারাগারে প্রেরণ করেন ।

এই কোচিং সেন্টারটি আওয়ামী লীগের কাউন্সিলর গিয়াস উদ্দিনের নেতৃত্বে পরিচালিত হয় তাই অনৈতিক কাজ হলেও কেউ প্রতিবাদ করার সাহস পায়না। এই বিষয়ে কাউন্সিলর গিয়াস উদ্দিনের বক্তব্য নিতে গেলে উনাকে পাওয়া যায়নি। কিন্তু পুলিশ ও সাংবাদিক ঘটনা স্থলে উপস্থিত হলে গিয়াস উদ্দিনের কিছু সন্ত্রাসীদের বান্দার সম্মুখীন হতে হয়। স্থানীয় জনসাধারণ এই কোচিং সেন্টারটি বন্ধ করার জন্য জোরালো ভাবে নগর পিতা ডাঃ শাহাদাত হোসেনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

শেয়ার করুন

আরও সংবাদ
© All rights reserved © 2022
Theme Customized By LiveTV